| | | |
সংবাদ শিরোনামঃ
মুুক্তিযোদ্ধার জানাযা ও দাফনে বাধা প্রদানের প্রতিবাদে ভেড়ামারায় মুক্তিযোদ্ধাদের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ তাড়াশে হাম-রুবেলার প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে জনগণকে সম্পৃক্ত করে কমিউনিটি সভা অনুষ্ঠিত মিরপুরে মাটি পরীক্ষায় ডিজিটাল সেন্সর ব্যবহারে প্রশিক্ষণ ও ডিভাইস বিতরণ ভেড়ামারায় বিয়ে করতে এসে জরিমানা গুনতে হলো বর কে ভেড়ামারায় আলহেরা মডেল একাডেমী স্কুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও মা সমাবেশ ভেড়ামারার পদ্মায় পানির তোড়ে ভেসে গেলো কৃষক ভেড়ামারায় গনধর্ষন/ ৪ দিন মৃত্যুর সাথে লড়ে হেরে গেলো তরুনী ভেড়ামারা থানা পুলিশের অভিযানে ৪০ পিচ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ ২জন আসামি গ্রেফতার। স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর সঙ্গে ঢাকাস্থ ভেড়ামারা সমিতির নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে বাবা-মা, দাদু আর একমাত্র ভাই সবাইকে হারিয়ে মহিমার চোখে কেবলই অন্ধকার/ আগুনে ছাই হয়ে গেল মহিমার সব স্বপ্ন
ভেড়ামারায় স্বামী-স্ত্রীর লাশ উদ্ধার

ভেড়ামারায় স্বামী-স্ত্রীর লাশ উদ্ধার

শামীমুল হক শামীম :
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা থানা পুলিশ নিজঘরে থেকে স্বামী-স্ত্রীর লাশ উদ্ধার করেছে। নিজ ঘরের বিছানায় লেপের নীচে মাথা ঢাকা অবস্থায় ছিল স্ত্রী রাবেয়া খাতুন’র মৃতদেহ (৬৫)। আর পাশেই ঘরের ডাবের সাথে ঝুলছিল স্বামী ফরিদ উদ্দীনের লাশ (৭৫)। পুলিশ জানিয়েছে, শ^াসরুদ্ধ করে স্ত্রীকে হত্যা করা হতে পারে। তার গলায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। আজ দুপুর ১২ টার দিকে বাহিরচর ইউনিয়নের ফারাকপুর গোরস্থান পাড়া সংলগ্ন বাড়ি থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করেছে।
সূত্র জানিয়েছে, বৃদ্ধ ফরিদ উদ্দীনের মূল বাড়ি নাটোর জেলার গুরুদাসপুরে। সেখানে প্রথম স্ত্রী, ছেলে মেয়ে রয়েছে। ভেড়ামারায় দ্বিতীয় স্ত্রী নিয়ে বসবাস করেন। তারা দুজনেই দিনমজুরের কাজ করে জীবিকানির্বাহ করতেন। বাড়ির পাশেই বসবাস করেন স্ত্রী রাবেয়া খাতুনের প্রথম পক্ষের ছেলেরা। গতকাল বুধবার সকালে নিহতের নাতি দাদা-দাদীর বাড়িতে গিয়ে ডাকাডাকি করতে থাকে। এসময় কেউ কোন আওয়াজ বা সাড়া শব্দ না করলে বাড়ির অন্য সদস্যদের সন্দেহ হয়। এসময় ঘরের ফাঁক দিয়ে ঝুলন্ত একটি মৃতদেহ দেখা যায়। পরে ভেড়ামারা থানা পুলিশ কে সংবাদ দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।
নিহতের পুত্রবধু জানিয়েছে, তাদের শ^শুড়-শ^াশুড়ি আলাদা ভাবেই বসবাস করতেন। উল্লেখ করার মতো কোন পারিবারিক কোলহ তাদের ছিল না। তবে কি কারনে, কারা হত্যার সাথে জড়িত থাকতে পারেন বা কেন তারা আত্মহত্যায় করতে যাবেন, তার কোন কারন খুজে পাচ্ছেন না।
ভেড়ামারা থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ শহীদুল ইসলাম জানিয়েছেন, টিনের ঘরটি ভিতর থেকেই লক করা ছিল। বিছনায় লেপ দিয়ে মাথা ঢাকা অবস্থায় নিহত রাবেয়া খাতুনের লাশ উদ্ধার করা হয়। তার গলায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পাশেই ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল মৃত ফরিদ উদ্দীনের লাশ। হত্যার প্রকৃত কারন অনুসন্ধানে কাজ করছে পুলিশ। তবে প্রাথমিক ভাবে বলা যেতে পারে, স্ত্রীকে হত্যা করা হতে পারে। দুটো লাশই ময়না তদন্তের জন্য কুষ্টিয়া মর্গে প্রেরন করা হয়েছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্ট শেয়ার করুন

Advertisement

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2024